
নীলফামারী জেলা প্রতিনিধিঃ——নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে সক্ষম হয়েছে নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ড যদিও একটু সময় পার হয়ে যায় তখন টাইম স্টেশন করে নেন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে কাজ করেন। এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পানি পাবেন চাষিরা বললে আশ্বস্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের।
এদিকে জলঢাকা নন্দীবাড়ী থেকে কিশোরগঞ্জ সিট রাজিব পর্যন্ত তিস্তা সেচ খালের দুই দিকের মাটি দিয়ে শক্তি কারণ, কাজ প্রায় শেষের দিকে। বর্ষাকালে যখন ভাঙ্গন রোধ দেখা দেয় তখন সেখানেই চাষীদের কথা চিন্তা করে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড নীলফামারী ডিভিশনের তত্ত্বাবধানে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান গুলো দক্ষ লেবার এবং মিস্ত্রী দ্বারা ব্লকগুলো ঢালে নামিয়ে দিয়ে রক্ষা করে চাষাবাদের জমিগুলো এবং সঠিকভাবে সিউডিল অনুসরণ করে ব্লকের কাজ সম্পন্ন করা হয় নয়তো বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হতো এই চাষীদের।
কিশোরগঞ্জ রাজিবের এক চাষী ওসমান গনির সাথে কথা হলে তিনি জানান যে যখন ঢালে ব্লকগুলো নামানো হয় তখন পানি প্রায় ক্যালেনে একটু পানি বেশি ছিলো তাহলে কিভাবে ব্লকগুলো নিয়ন্ত্রণ থাকবে তখন তারা শুধু চাষীদের কথা চিন্তা করে ব্লকগুলো ঢালে নামিয়ে দিয়ে সেই পানির মধ্যেই বসিয়ে দেওয়া হয়, কিন্তু পরবর্তী সময় যখন পানি শুকিয়ে যায় তখন শুকনো মৌসুমে আবারো ব্লকগুলো ঠিক করে যায়গায় বসিয়ে দেয় তাই আমরা বলতে পারি এখানে কোন অনিয়ম বা দুর্নীতি আমরা দেখতেছি না। তাই সেচ সুবিধা যথা সময় পাবেন বলে আশাবাদী সচেতন নাগরিকরা।
তবে বিষয়টি নিয়ে কথা হয় নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুর রহমানের সাথে তিনি জানান আমরা ওখানে ব্লকের কাজ সম্পন্ন করেছি। এবং ডাইকে মাটির সংস্কারের কাজ নজরদারি করে কাজগুলো অতি তাড়াতাড়ি করে নিচ্ছি আমরা, কারণ অনেক ধরনের বিশৃঙ্খলা হয়, ঠিকাদাররা আমাদের জানান যে কাজ করতে গেলে নানান অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয় এ জন্য যদিও একটুখানি সময় বিলম্ব হয় ভালো মাটি না পাওয়ার কারণে তবুও ডাইকে মাটি সংস্কারের কাজ যথা সময় শেষ হবে বলে আশাবাদী আমরা ।
কারণ হচ্ছে মাটি পাওয়া প্রায় কঠিন হয়ে গেছে তাই তো বালু দিয়ে কাজ করা যাবে না, এজন্য সঠিক সময়ে ডাইকের সংস্কার হচ্ছে না। আমরা তবুও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন রকমের প্রেসার দিয়ে মাটি সংগ্রহ করে কাজ করে যাচ্ছি। এদিকে তিস্তা প্রকল্পের প্রধান সেচ খালের ডাইকে বসতবাড়ি করে থাকা জলঢাকার দিনমজুর প্রকাশ চন্দ্র বলেন যে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড মাটি দিয়ে যে ভাবে ডাইক সংস্কার করতেছে এবং সুন্দরভাবে রাস্তার প্রসেসিং করে দিচ্ছে এতে করে আমরা অনেক খুশি। তাইতো সবাই বলতেছে উন্নয়নের ছোঁয়া তিস্তা প্রধান সেচ প্রকল্পে। জলঢাকা কিশোরগঞ্জ ঘুরে মোহাম্মদ আল আমিন ইসলাম নীলফামারী।
মন্তব্য করুন