ড. শাহাবুদ্দিন আহমেদ সহকারি অধ্যাপক, ইউনিভার্সিটি অফ মালায়া।
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২:৫৩ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশের রাজনীতিতে নব দিগন্তের সূচনা……….ড. শাহাবুদ্দিন আহমেদ

স্টাফ রিপোর্টার:————-

নানা শংকা, সংশয় আর অপপ্রচার ছাপিয়ে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং সংবিধান সংশোধন ও নানা সংস্কার বিষয়ে গণভোট দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুথানের ১৭ মাস পরে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং অংশগ্রহণমূলক হয়েছে বলেই প্রতীয়মান। বিচ্ছিন্ন কিছু অনিয়ম, অসঙ্গতি ছাড়া প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের দেশে ৪২ হাজার ৬৫১ টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচন ছিলো নানা দিক থেকে ব্যাতিক্রম এবং তাৎপর্যপূর্ণ।

উল্লেখ্য, দেশের ইতিহাসে এটাই সম্ভবত প্রথম নির্বাচন যেখানে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। বলা দরকার, কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় গণহত্যার অভিযোগে বিচারাধীন আওয়ামীলীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারে নি। তবে ৬০টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে ৫০টি দল এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে।
নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের নিরঙ্কুশ বিজয় হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফলে ঘোষিত ২৯৭ টি আসনের মধ্যে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ২১২ টি আসন। এর মধ্যে একক দল হিসেবে বিএনপি পেয়েছে ২০৯টি আসন। অপরদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট পেয়েছে ৭৭ টি আসন, যেখানে এককভাবে জামাত পেয়েছে ৬৮ টি আসন। ২৪ এর গণঅভুথ্যানে নেতৃত্বদানকারী দল এনসিপি থেকে ৬ জন প্রার্থী জয়লাভ করেছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে জয়ী হয়েছে ৭ জন। উল্লেখ্য, মামলা চলমান থাকায় শেরপুর-২, চট্টগ্রাম-২ এবং চট্টগ্রাম-৪ এই তিনটি আসনের ফলাফল স্থগিত রেখেছে নির্বাচন কমিশন।

জাতীয় নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫৯.৪৪ শতাংশ। আর গণভোটে ভোট পড়েছে ৬০.২৬ শতাংশ। এদিকে গণভোটে দুই-তৃতীয়াংশের অধিক (৬৮.০৬%) ভোট পেয়ে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। ভোটের পরিসংখ্যানে বিনপি জোট পেয়েছে ৫১.১% এবং জামাত জোট পেয়েছে ৩৮.৫%। অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি ৩.৫%, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ ২.৯ % ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২.৭০% ভোট পেয়েছে। এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ভোট পেয়েছে ৫.৮%। উল্লেখ্য, সারাদেশে বামগণতান্ত্রিক জোটের ১৪৭ প্রার্থীর সকলেই জামানত হারিয়েছে, যাদের সম্মিলিত ভোটের সংখ্যা ১ লক্ষ ২৪ হাজার ৬৭৮, যা কাস্টিং ভোটার ০.১৭%।

যাইহোক, এই নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পালাবদল নয়, বরং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অচলাবস্থা ও ভোটবিহীন গণতন্ত্রহীনতার অবসান ঘটিয়ে এক পরিবর্তনের সম্ভাবনাও তৈরি করেছে। এর মধ্যে বিশেষভাবে আলোচিত ও সবার কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন বিএনপি চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রী- তারেক রহমান। নির্বাচন পরবর্তী গত কয়েকদিনে তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং শিষ্টাচার দেশের ইতিহাসে এক নব দিগন্তের সূচনা বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে।
গত রবিবার তিনি জামায়াত জোটের নেতা ডা. শফিকুর রহমান এবং তরুণ নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে পরিচিত এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় গিয়ে সাক্ষাৎ করেছেন। এদিকে পরদিন সোমবার তিনি ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি রেজাঊল করিমের বাসায় গিয়েছেন সাক্ষাৎ করতে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এই ধরনের সৌজন্যমূলক রাজনৈতিক যোগাযোগ খুব একটা দেখা যায় না, ফলে ঘটনাটি অনেকের কাছেই এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, স্বাধীনতার পর থেকে রাজনীতি মূলত দ্বিদলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং আদর্শগত সংঘাতের মধ্য দিয়ে পরিচালিত হয়েছে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর আওয়ামীলীগ রাষ্ট্র পরিচালনার নেতৃত্ব দেয়। কিন্তু ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন দেশের রাজনীতিকে দীর্ঘ সামরিক শাসনের দিকে ঠেলে দেয়। কিন্তু অল্প সময়ের ব্যাবধানে জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তন করেন। ১৯৮১ সালে শহীদ রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের অল্প কিছুদিনের মধ্যে ক্ষমতা দখল করে স্বৈরাচার এরশাদ। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ বছরের আন্দোলন সংগ্ৰামের পরে ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হলে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ পালাক্রমে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে।

এই দীর্ঘ সময়ে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনেক সময় সংঘাতপূর্ণ রূপ নিয়েছে। সংসদ বর্জন, হরতাল, সহিংসতা, নির্বাচনী বিতর্ক এবং পারস্পরিক অবিশ্বাস রাজনীতির স্বাভাবিক চিত্র হয়ে দাঁড়ায়। ২০০৬-২০০৮ সালের রাজনৈতিক সংকট, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন, পরবর্তী দেড় দশকের বেশি সময় ফ্যাসিস্ট হাসিনার ক্ষমতা কুক্ষিগত করা সব মিলিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্র আবারো হোঁচট খায়। দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপির জন্য এই বিজয় শুধু রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন নয়, বরং নিজেদের সংগঠন, কৌশল এবং জোট রাজনীতির নতুন রূপায়ণের ফল।
বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে জোট রাজনীতি নতুন কিছু নয়। ১৯৯১ সালে বিএনপি এককভাবে সরকার গঠন করলেও ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে জোটের গুরুত্ব বেড়ে যায়। এবারকার নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের নিরঙ্কুশ জয় সেই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতারই একটি সম্প্রসারিত সংস্করণ বলে অনেকে মনে করছেন।

বিরোধী দলীয় নেতাদের সাথে তারেক রহমানের সাম্প্রতিক সৌজন্য সাক্ষাৎকে অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক “নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইঙ্গিত” হিসেবে দেখছেন। বাংলাদেশে রাজনৈতিক শিষ্টাচারের ঘাটতি নিয়ে দীর্ঘদিন আলোচনা হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর মধ্যে যোগাযোগ প্রায়শই সীমিত বা উত্তেজনাপূর্ণ হওয়ায় গণতান্ত্রিক সহনশীলতা দুর্বল হয়েছে। যদি রাজনৈতিক নেতাদের এই ধরনের পারস্পরিক সম্মান ও সংলাপের ধারা অব্যাহত থাকে, তবে তা গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

অর্থনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার দিক থেকেও এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের তাৎপর্য রয়েছে। হাজারো দুর্নীতি অনিয়ম আর লুটপাটের ফলে বাংলাদেশ গত দুই দশকে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারেনি। দেশের প্রতিটি সেক্টর দুর্বল থেকে দুর্বলতর হয়েছে। ভেঙে পড়েছে দেশের সাংবিধানিক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশেষকরে, ব্যাংকগুলোর অবস্থা সবচেয়ে নাজুক। নোবেলজয়ী ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এসব খাতকে খাদের কিনারা থেকে তুলে আনার চেষ্টা করলেও স্বল্প সময়ে পুরাপুরি সফল হতে পারেননি।
ফলে দেশে মুদ্রাস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ, ঋণ, জ্বালানি সংকট এবং কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ রয়েছে ব্যাপকহারে। নতুন সরকারকে এসব বাস্তব সমস্যার সমাধানে কার্যকর নীতি গ্রহণ করতে হবে। নতুবা রাজনৈতিক বিজয় অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় রূপ নেবে না। তবে দুর্নীতি রোধ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাও আগামী সরকারে জন্য অন্যতম বড় চেলেঞ্জ।

রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন শুধু নেতৃত্বের আচরণে নয়, প্রতিষ্ঠানগত শক্তিশালীকরণেও প্রতিফলিত হতে হবে। নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা, বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এসব বিষয় বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে টেকসই করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাস বলে, যখন রাজনৈতিক দলগুলো প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার বদলে দলীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়, তখন দীর্ঘমেয়াদে গণতন্ত্র দুর্বল হয়।
বর্তমানে জেন-জি বা তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বাংলাদেশের জনসংখ্যার বড় অংশই তরুণ, যাদের প্রত্যাশা চাকরি, শিক্ষা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং স্বচ্ছ শাসনব্যবস্থা। নাহিদ ইসলামের মতো তরুণ নেতৃত্বের সঙ্গে তারেক রহমানের সাক্ষাৎ সেই বাস্তবতাকে স্বীকার করারই ইঙ্গিত দেয়। শিক্ষিত তরুণদের রাজনীতিতে ইতিবাচক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে রাজনৈতিক সহিংসতা কমবে এবং নীতিনির্ধারণে নতুন ধারণা আসবে।
আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও নতুন সরকারের সামনে চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি, ভারত-চীন প্রতিযোগিতা, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি এসব বিষয় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও বাস্তবমুখী হওয়ার প্রয়োজন বলে মনে করি। অর্থনৈতিক কূটনীতি, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরন এখন সময়ের অন্যতম বড় দাবি।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অনেক উত্থান-পতন হয়েছে, কিন্তু জনগণের প্রত্যাশা বরাবরই স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং গণতান্ত্রিক কাঠামোর শক্তিশালী করণ। সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফল এবং রাজনৈতিক সৌজন্যের এই নতুন উদাহরণ যদি সত্যিকার অর্থে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা করে, তবে সেটি হবে বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক অগ্রযাত্রার বার্তা। সরকারি ও বিরোধী দলের রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর নীতি এবং জনগণের আস্থার সমন্বয় ছাড়া কোনো পরিবর্তন দীর্ঘস্থায়ী সম্ভব নয়।

অতএব, এই মুহূর্তটি শুধু বিজয়ের আত্মতুষ্টি নয়; বরং হওয়া উচিত আত্মসমালোচনা, পারশপরিক সহযোগিতা, সমন্বয় এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার নব সূচনা। যদি রাজনৈতিক নেতৃত্ব সত্যিই সহযোগিতার রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে পারে, তবে বাংলাদেশের গণতন্ত্র আরও পরিণত ও শক্তিশালী হবে। আর সেই লক্ষে বিশেষ করে দেশ তাকিয়ে থাকবে তারেক রহামানের দূরদর্শিতার দিকে। কথায় আছে- “উঠন্তি মূলো পত্তনেই চেনা যায়” বা “সকাল বেলাই দিন বোঝা যায়”। সেই হিসাবে বলাই যায়- বাংলাদেশ এক নব দিগন্তের সূচনা করতে যাচ্ছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিং ভোগান্তিতে শিশু ও শ্রমজীবী মানুষ, বাড়ির বাইরে অবস্থান

দামুড়হুদায় খেলতে গিয়ে পুকুরে পড়ে শিশুর মৃত্যু

লালমনিরহাটে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের স্মরণে বিশেষ গেরিলা বাহিনীর স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

আলফাডাঙ্গায় মাছের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা!

সালথায় রাতের আঁধারে   টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষে আহত ৩০, বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার অঙ্গীকার: চুয়াডাঙ্গায় কনস্টেবল নিয়োগের প্রথম দিন সম্পন্ন

কুড়িগ্রামে নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ পরিবারের

যশোর কেশবপুর উপজেলায় নববধূর গর্ভে ৬ মাসের সন্তান !

মানবিকতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধে ঘাটতি: এনপিএস চেয়ারম্যান মাহবুবুল ইসলামের

ভাঙ্গায় রেভারেন্ড পল মুন্সীর স্মরণে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

১০

ফরিদপুরে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরে কিন্ডার গার্টেন স্কুলে বর্ষবরণ

১১

ঘুষ ছড়া কোন কাজই করেন না মোটরযান পরিদর্শক মেহেদী হাসান কামরুল। 

১২

কটিয়াদীতে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎবিহীন বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত; অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীদের ক্ষোভ প্রকাশ।

১৩

দামুড়হুদা স্টেডিয়াম মাঠে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত।

১৪

দেওয়ানগঞ্জে অবৈধ ডিজেল বহন, যুবকের ৭ দিনের কারাদণ্ড।

১৫

দর্শনায় অবৈধ ডিজেল মজুত: ব্যবসায়ীকে জরিমানা, জব্দকৃত তেল কৃষকদের মাঝে বিক্রি। ​

১৬

বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানি শুরু

১৭

সোনারগাঁয়ে শুরু হয়েছে ৩দিন ব্যাপী বউ মেলা

১৮

শীলখালী চেকপোস্টে ৩৬ হাজার ইয়াবাসহ প্রাইভেটকার চালক আটক

১৯

কুড়িগ্রামে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের ঘোষণা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন

২০
বিজ্ঞপ্তি