
ডেক্স রিপোর্টঃ—————
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় বিভিন্ন অঞ্চলে মাদক ব্যাপক হারে বেচাকিনা দিনদিন বেড়েই চলেছে । মাদক সেবন কারীরা বিভিন্ন স্থানে চুড়ি ডাকাতীর সংগে জরিয়ে পড়ছেন । এই কথা চিন্তা করে রূপাপাত ইউনিয়ানের সর্বসাধরণ লোক মাদক সেবন কারীদের পুলিশে ধরিয়ে দিচ্ছেন । সেই মুহূর্তেই বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান (৫২) এবং তার ভাতিজা, রূপাপাত ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক সুমন শেখ (২৭) মাদক সেবণ কারী কে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার সন্দেহে চাচা ভাতিজা কে রাতের আধারে আতঙ্কিত হামলা চালিয়েছেন ২৪শে এপ্রিল অনুমান রাত ১০ ঘটিকায়। আব্দুর রহমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখান থেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আব্দুর রহমান বলেন……………… আমি কয়েক দিন আগে ঢাকা থেকে বাড়িতে এসেছি, ফিরোজ মোল্যার লোকজন দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন এর সঙ্গে জড়িত । সজলকে পুলিশ ধরার পর থেকেই তারা আমাকে সন্দেহ করে আসছিল । সেই ক্ষোভ থেকেই পরিকল্পিতভাবে আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে ওরা মাদক সেবন করে আমি জানি,কে/বা কারা ওদের পুলিশে ধরিয়ে দিয়েছে আমার জানা নেই আমাকে বে অন্যায় ভাবে আক্রমণ করেছে আমি সুস্থ হয়ে ওদের বিষায়ে আইনি ব্যবস্থা নেব ।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কদমী গ্রামের বাসিন্দা হেলালের ছেলে সজলকে কিছুদিন আগে মাদক সেবনের অভিযোগে পুলিশ আটক করে । পরে জামিনে মুক্ত হয়ে সে এলাকায় ফিরে আসে । শুক্রবার রাতে ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ফিরোজ মোল্যার সমর্থক হিসেবে পরিচিত কয়েকজন -সজল, সজিব, নাজমুল (২২), রাসেল (২০), রাকিব (২২) ও শিপন (২৪)-বিএনপি নেতা আব্দুর রহমান তাদের পুলিশে ধরিয়ে দিয়েছেন এমন সন্দেহে তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
অভিযুক্ত কৃষক লীগ নেতা মো. ফিরোজ মোল্যার সংগে যোগায়োগ করার সম্ভব হয়নি
এ বিষয়ে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন……….. এ ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে ।
মন্তব্য করুন