
চাঁদপুর প্রতিনিধিঃ———-
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৮ নং কাদলা ইউনিয়নের কাপিলাবাড়ি গ্রামে সরকারি খাল দখল করে বাড়িঘর ও দালান স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এতে করে এলাকার কয়েক হেক্টর কৃষিজমি হুমকির মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কাপিলাবাড়ি গ্রামের মাদ্রাসা, এতিমখানা এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ খালটি দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্ত শহীদ উল্লাহ মিয়াজী কোম্পানি প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে প্রকাশ্যেই এ নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয়দের দাবি, খালটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। খালটি দখল হয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে, যা আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি এবং কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, সরকারি সম্পত্তি এভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণ সম্পূর্ণ অবৈধ। দ্রুত এর প্রতিকার না হলে আমরা মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বো। তারা অবিলম্বে খালটি দখলমুক্ত করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান রাসেল বলেন, ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে চিঠির মাধ্যমে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, কচুয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপু আহমেদ বলেন, খাল দিয়ে কৃষকের জমিতে সেচ দেওয়া হয় এবং পানি প্রবাহিত হয়। খাল দখল করে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে উদ্বেগ বিরাজ করছে এবং দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।
মন্তব্য করুন