
আদিতমারী উপজেলায় হঠাৎ বৃষ্টিতে ব্যাপক ফসলের ক্ষতি দিশেহারা চাষিরা।
সঞ্জয় কুমার,
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় হঠাৎ এক রাতের বৃষ্টিতে চাষে কৃষকদের আলু মরিচ তরমুজ ও তামাকসহ অন্যান্য ফসলের জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে অনেক গাছ নুয়ে পড়ছে এবং ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ছে কৃষক চাষিরা
১২ ই মার্চ মার্চ বৃহস্পতিবার ভোরে হঠাৎ মুষলধারে বৃষ্টি হলে এ ক্ষতির মুখে পড়ে আদিম নারী উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের কৃষক চাষিরা বর্তমান মারাত্মক চিন্তায় পড়ে গেছে।

দুর্গাপুর ইউনিয়নের ছয় নং ওয়ার্ডের কালিরহাট বীজ আলু চাষী মোঃ মফিজুল ইসলাম ৪৫ বলেন প্রায় বিশ শতক জমিতে ৮০,০০০ হাজার টাকার বীজ হাল চাষ সারসহ এক লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে গতকালের বৃষ্টিতে আমাকে নিঃস্ব করে দিয়েছে সামনে ঈদের মার্কেট করব বাচ্চা কাচ্চাদের নিয়ে আর হলো না এক রাতেই সব ধুলোয় মিশিয়ে গেল। সব আলু এখন বৃষ্টির পানির নিচে।
শেষ হয়েছে আদিতমারী উপজেলা
কালিরহাট দুর্গাপুর মহিষতুলী ফলিমারী বাগদির বাজার শঠিবাড়ী আমতলা সহ আরো অনেক বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায় প্রায় ২:৩০ ঘন্টা ব্যাপী এই বৃষ্টিতে আলু পিএস তরমুজ ও ভুটা ভুট্টা তামাকসহ বিভিন্ন সবজির খেতে জমে আছে বৃষ্টির পানি।
এছাড়া ভুট্টা কাঁচামরিচ পিএস এবং অন্যান্য সবজির জমিগুলো তে নিয়ে পড়ছে বিভিন্ন ফসল জমে থাকা পানি সেচ দিয়ে বের করে দিচ্ছে কৃষক চাষিরা।
কৃষক আব্দুল জলিল ৫৫ বলেন , ভরা মৌসুম চলছে ফসল বিক্রি করে ঈদের কেনাকাটা স্বপ্ন ছিল সেই স্বপ্ন আজ রাতে এক মুহূর্তে বৃষ্টিতেই নিঃস্ব করে দিল।
কৃষক শাহীন ৩৫ বলেন আমার ফসলি জমিতে ফসল বৃষ্টির পানির নিচে নিয়ে পড়ছে সেচ দেওয়ার মতো কোন উপায় নেই এবারে সারের দাম তবুও কষ্ট করে ফসল ফলিয়েছি কিন্তু এক রাতেই সব শেষ হয়ে গেল।
কৃষক হাফেজ আলী ৬৫ বলেন যে ক্ষতি হয়েছে যদি আজকে রাতে আবারো বৃষ্টি হয় তবে কৃষকরা ফসলি জমিতেই মারা যাবে এবারে খরচ অনেক বেশি হয়েছে সব কিছুরই দাম দিয়ে অধিক মূল্য দিয়ে সার কীটনাশক প্রয়োগ করে যদি সমস্ত ফসল মরে যায় কৃষক চাষিরা মাঠে মরা ছাড়া উপায় নেই। তাই আগের উপজেলার কৃষকরা হতাশায় মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে আছে ফসলের জমির দিকে এবং আকাশের দিকে।
আদিতমারী উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা অফিসার কৃষিবি দ মোঃ ফারুক হোসেন বলেন, প্রতিটি চাষীর জমিতে গিয়ে দেখেছি একই অবস্থা তবে যেসব জমিতে পানি জমে আছে অতি তাড়াতাড়ি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে কৃষকদের জন্য ততই মঙ্গল হব।
মন্তব্য করুন